প্রকাশিত: / বার পড়া হয়েছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেটিং বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের ৯০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ‘MGI-MAA বৃত্তি’ প্রদান করা হয়েছে। প্রত্যেক শিক্ষার্থী ২৪ হাজার টাকা করে বৃত্তি লাভ করেছেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তির চেক বিতরণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওরওবায়দুল ইসলাম প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (MAA) এবং মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (MGI) যৌথভাবে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে। "MGI-MAA Scholarship" শীর্ষক ১ কোটি টাকার স্থায়ী তহবিলের আয় থেকে এ বৃত্তি প্রদান করা হয়।
মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী jআলফেছানী ও মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিরাজুল হক বিশেষ অতিথি এবং মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
স্বাগত বক্তব্য দেন মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মো. রাফিক হাসান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের উন্নয়নে তরুণদের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে। কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সহযোগিতা করলে সমাজ উপকৃত হবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই ও সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আর্থিক সমস্যার কারণে যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের জন্য এক কোটি টাকার একটি স্থায়ী তহবিল গঠন করা হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি অ্যালামনাই ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি এন্ডাউমেন্ট ফান্ড গঠনের উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
উল্লেখ্য, মার্কেটিং বিভাগের ২০১৯-২০২০ সেশনের ১ জন, ২০২০-২০২১ সেশনের ২ জন, ২০২১-২০২২ সেশনের ২ জন, ২০২২-২০২৩ সেশনের ১৬ জন, ২০২৩-২০২৪ সেশনের ১৪ জন, ২০২৪-২০২৫ সেশনের ১৮ জন এবং ২০২৫-২০২৬ সেশনের ৩৭ জন-সহ মোট ৯০ জনকে বৃত্তি প্রদান করা হয়।