Tuesday, 22 September, 2026
Logo
বিজ্ঞাপন
যাবতীয় রড, সিমেন্ট, ইট, বালি ও কনা পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হয় ।। যোগাযোগ- মেসার্স হোসেন ব্রাদার্স/ জাকের ট্রেডার্স।। সোবান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড, সিনেমা হলের পাশে, দাগনভুইয়া, ফেনী। প্রোপ্রাইটর জাকের হোসেন আলমগীর ০১৭১১-৯৬২৯২৫।। ০১৮৭১-৯৩০০০৮ মেসার্স কে আহাম্মদ এন্ড সন্স! পরিবেশক,বি এম, ডেল্টা ও ইউনি এল পি গ্যাস! যোগাযোগ- বসুরহাট রোড, সিনেমা হলের সামনে, দাগনভুইয়া, ফেনী- ০১৭১১-৩০৪৮৭৩, ০১৮৩৯-৩৯৭১৩০! দাগনভুইয়া ফিজিওথেরাপী সেন্টার, একটি আধুনিক বাত, ব্যথা, প্যারালাইসিস ও মুখ বাঁকা চিকিৎসা কেন্দ্র। ঠিকানা- সোবহান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড। (সাবেক ঝর্না সিনেমা হলের পাশে)। দাগনভুইয়া, ফেনী। 01818-019684, 01721-910110 সর্বাধুনিক মেশিনে রোগ নির্নন ও বিশেষজ্ঞ ডক্টর চেম্বার।। ফেনী ল্যাব সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার।। এস এস কে রোড়, ফেনী।। 01711375108/ 01815507975

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসে দাগনভূঞায় পিএফজি'র মানববন্ধন ও শোভাযাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: / বার পড়া হয়েছে


ছবি - শোভাযাত্রা

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উপলক্ষে ফেনীর দাগনভূঞায় পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)-এর উদ্যোগে শোভাযাত্রা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​সোমবার সকালে দাগনভূঞা প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে একটি শোভাযাত্রা শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দাগনভূঞা জিরো পয়েন্টে গিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

​উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও পিএফজি সদস্য মিজানুর রহমান হিরোর সভাপতিত্বে ও কো-অর্ডিনেটর কাজী ইফতেখারুল আলমের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের শূরা সদস্য ও পিএফজি এম্বাসেডর এএসএম নূর নবী দুলাল, পিএফজি এম্বাসেডর ও মহিলা দল নেত্রী, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহানারা বেগম, আজিজিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফারুক আহমেদ মজুমদার, পিএফজি এম্বাসেডর আতাউর রহমান টিটু, সুজন দাগনভূঞা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আবদুল্লাহ আল-মামুন, দাগনভূঞা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এম রহমান সোহেল, উজ্জীবক আর্ট স্কুলের প্রশিক্ষক গিয়াস উদ্দিন ভূঁঞা, ইয়ুথ পিস এম্বাসেডর গ্রুপের সদস্য রফিকুল ইসলাম ও জান্নাতুন প্রীতি প্রমুখ।

​কর্মসূচিতে সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও পিএফজি’র সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শান্তির ভিত্তি তৈরি হয় আমাদের পরিবার, সমাজ ও নিজেদের ভেতর থেকে। হিংসা, বিদ্বে ষ এবং পরমতাসহিষ্ণুতার অভাবই পরবর্তীতে বড় ধরনের সংঘাতের রূপ নেয়। আমরা যদি নিজেদের মধ্যে সহমর্মিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে পারি, তবেই একটি স্থায়ী শান্তির সমাজ গঠন সম্ভব।

​বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া যেমন সহজ, তেমনি ভুল তথ্য ও বিদ্বেষ ছড়িয়ে অশান্তি উসকে দেওয়াও ততটাই সহজ। তাই ডিজিটাল বিশ্বেও সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে বৈষম্যহীন পৃথিবী গড়তে সহিংসতা এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে যে কোনো বিরোধ নিরসনের আহ্বান জানান তাঁরা।

Share

আরো খবর


সর্বাধিক পঠিত